আইন অমান্য করে সিগারেটের বিজ্ঞাপন

বরিশালের ৬ জেলায় সার্ভে কার্যক্রমের উদ্বোধন

তামাক কোম্পানীগুলোর কৌশলী বিজ্ঞাপনের কারনে নতুন ধূমপায়ীদের আকৃষ্ট করছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে সব ধরনের বিজ্ঞাপনের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও লঙ্গত হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন। এ বিষয়ে সরকার তৎপর রয়েছে। রবিবার বাংলাদেশের তামাক জাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ এবং পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবায়ন শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে সার্ভে কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে বরিশাল সিভিল সার্জন ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ মনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন। পরে তিনি তার কার্যালয়ের পাশে তামাক (সিগারেট) বিক্রির দোকান থেকে এই সার্ভে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি বাস্তবায়ন, সেভ দ্য কোস্টাল পিপল (স্কোপ) এর বাস্তবায়ন সহযোগীতায় সার্ভের কারিগরি সহায়তা করছে দি ইউনিয়ন/বøুমবার্গ ইনিশিয়েটিভ। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের পরিচালক (কর্মসূচী) খন্দোকার রিয়াজ হোসেন, প্রকল্পের সমন্বয়কারী ও স্কোপের নির্বাহী পরিচালক কাজী এনায়েত হোসেন শিপলু, প্রকল্পের পরিচালক (শিক্ষা) এ.কে এম আলম অপু, কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইউসুফ আব্দুল্লাহ, সাংবাদিক সাঈদ পান্থ প্রমুখ।
জানা গেছে, দেশের ৪৫ শতাংশ পুরুষ এবং ১.৫ শতাংশ নারী ধূমপান করে। এছাড়াও ২৬ শতাংশ পুরুষ এবং ২৮ শতাংশ নারী ধূঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে থাকে। এর ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন। এক বিশাল জনগোষ্ঠী তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য তামাক ও তামাকজাত পণ্য থেকে আয়ের দ্বিগুণ। গবেষণায় দেখা যায় যে, তামাক ও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতামূলক কর্মকান্ড তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি করে এবং এ ধরনের কর্মকান্ডের উপর সার্বিক নিষেধাজ্ঞা এর ব্যবহার হ্রাস করে। অন্যভাবে বলা যায় বিজ্ঞাপন প্রচারের ফলে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। শুধুমাত্র তামাক ও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও পৃৃষ্ঠপোষকতামূলক কর্মকান্ডের উপর সার্বিক নিষেধাজ্ঞা (ট্যাপস ব্যান) কার্যক্রমই তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার প্রায় ৭ শতাংশ কমাতে সক্ষম। তারই ধারাবাহিকতায় এই সার্ভে করা হচ্ছে।