February 20, 2019

আবে হায়াত— ৩

--- ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

মাসুদ আমিন ।। গ্রামের এক যুবতী রমনী একটু দূরের এক  কূয়া থেকে পানি তুলছিল। পাশ দিয়ে এক দরবেশ হেঁটে যাচ্ছিল । যুবতীকে দেখে তার মনে হল , এই নারী জাতির মাঝে এমন কি শক্তি , কৌশল ও ছলনা রয়েছে ,  যা দ্বারা তারা বাদশাকে ফকির , বীরকে ভীরু , আলেমকে জাহেল, পাথরকে “মোম”. বৃদ্ধকে “যুবক”বানিয়ে ইচ্ছেমত খেলাতে পারে। তখন দরবেশ এসে
তার মনের কথাগুলো ঐ যুবতীকে বললো। দরবেশের কথা শুনে যুবতী তার শাড়ীর অর্ধেক খুলে ফেললো । চুলগুলো এলোমেলো করে ,আমাকে বাঁচাও,বাঁচাও বলে চিৎকার জুড়ে দিল। দরবেশ তখন মেয়েটিকে বললো,মা আমি তোমার কাছে একটা জিনিস জানতে চাইলাম , আর তুমি কিনা আমার সাথে ছলনা করে,  আমাকে এখন মানুষের হাতে মার খাওয়াবে। তিনি কেঁদেফেললেন
এবং বললেন এটাই কি তোমাদের আসল রূপ। ঐদিকে লোকেরা লাঠি নিয়ে ছুটে আসছে । যখন মেয়েটি লোকদের ছুটে আসতে দেখল, তখন সে কূয়া থেকে এক বালতি পানি তুলে সাথে সাথে নিজের শরীরটাকে ভিজিয়ে নিলো এবং দরবেশের কাপড়  কিছু ভিজিয়ে দিল ও জোরে জোরে হাপাতে লাগলো। লোকেরা এসে জিঞ্জাসা করলো,মা তোমার কি হয়েছে? 
মেয়েটি বললো আমি কূয়াতে পরে গিয়ে চিৎকার করছিলাম তখন এই দরবেশ  আমাকে কষ্ট করে কূয়া থেকে উঠিয়েছেন। 
তা না হলে আমি তো আজ মারাই যেতাম। তখন লেকেরা দরবেশকে বাড়ি নিয়ে অনেক আপ্যায়ন ও সম্মান করলো। 
যখন তিনি চলে আসবেন তখন মেয়েটি এসে বললো,হুজুর আপনার প্রশ্নের  উত্তর কী পেয়েছেন? নারী জাতিরা এইভাবেই পুরুষদেরকে শিকার করে থাকে । তাই সবসময় নারীদের কাছ থেকে ভদ্রতা  দুরত্বে থাকবে। । ‘নাগিনীর ছোবল’ 
খেয়েও অনেক মানুষবেঁচে যায় । 
কিন্তু ছলনাময়ী নারীর
ছোবলে বেঁচে থাকা বড়  কঠিন..l

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জানুয়ারি    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮