November 13, 2018

কিডনি রোগের জটিলতা এড়াতে

--- ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

মাসুদ আমিন ॥ প্রাথমিক পর্যায়ে ক্রনিক কিডনি রোগ ধরা পড়লে ডায়ালিসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো জটিল বা ব্যয়বহুল চিকিৎসা এড়ানো যেতে পারে। আগাম চিহ্নিতকরণ ও চিকিৎসার ফলে কিডনি রোগজনিত জটিলতা হ্রাস পায় এবং কিডনি রোগ ও এ-সম্পর্কিত হৃদরোগে মৃত্যুর আশঙ্কাও কমে। এ জন্য প্রয়োজন ক্রনিক কিডনি রোগ সম্পর্কে সচেতনতা।

আগাম চিহ্নিতকরণের জন্য উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক, প্রাপ্তবয়স্ক সবার নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন যাচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা এবং রক্তে গ্লুকোজ ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিরূপণ করা প্রয়োজন। ক্রনিক কিডনি রোগ এড়াতে ডায়াবেটিক ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। শিশুদের গলাব্যথা, চর্মরোগ প্রভৃতির দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে।

কেননা এসব রোগ থেকে কিডনির প্রদাহ হতে পারে, যা পরে দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতে পারে। ডায়রিয়া, বমি, রক্ত-আমাশয়, পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ এসব থেকে কিডনি বিকল হতে পারে। প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। অতিরিক্ত মাছ-মাংস-ডিম বা হাই-প্রোটিন ডায়েট কিডনির জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

নভেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« অক্টোবর    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০