September 23, 2018

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত মাস্টার্সে ভর্তি স্নাতক ফলের আগেই

--- ২৯ মার্চ, ২০১৩

বরিশাল টু-ডে ডেক্স ॥ যারা স্নাতক পরীক্ষা দিয়েছে তাদের আগামী এপ্রিলেই মাস্টার্সে (শিক্ষাবর্ষ ২০১১-১২) ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান জানান, ‘সেশনজট’ কমিয়ে আনতে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে। স্নাতকের ফল প্রকাশের পর যদি দেখা যায় কেউ ফেল করেছে, তাহলে তার স্নাতকোত্তরের ভর্তি বাতিল করা হবে বলে বদরুজ্জামান জানান। বিগত বছরগুলোর ফলাফলের বরাত দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, স্নাতক পরীক্ষায় কমবেশি পাঁচ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রতি বছরই ফেল করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর জানায়, সর্বশেষ ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকে ৯০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩ হাজার উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, “আগে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হতে ৭/৮ মাস সময় চলে যেত। আগেই ভর্তি শুরু হবে বলে এখন সেই সময় বেঁচে যাবে।” জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছরের স্নাতক শেষ করতে ৭ বছরেরও বেশি এবং এক বছরের স্নাতকোত্তর শেষ করতে দুই বছরেরও বেশি সময় লাগছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বদরুজ্জামান বলেন, ২০১১ সালে যাদের স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল তাদের পরীক্ষা হবে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে। “আমরা তো প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির সময়ই এক বছর পার করে দেই। এর মধ্যে সেশনজট তো আছেই। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের দুই বছর বেশি সময় লেগে যায়”।
স্নাতকের ফল প্রকাশের জন্য অপেক্ষা না করে স্নাতকোত্তরে শিক্ষার্থী ভর্তি ও ক্লাস শুরু করা হলে ৭/৮ মাসের ‘সেশনজট’ কমবে বলে মনে করছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারা দেশে এক হাজার ৯৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে গড়ে ৮৫ হাজারের মতো শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রি নেয় বলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর জানায়।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০