September 25, 2018

জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুলের সম্পদ তালাশ করবে দুদক

--- ৯ এপ্রিল, ২০১৪

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ও সাংসদ এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের অবৈধ সম্পদের অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার দুপুরে কমিশনের নিয়মিত সভায় তাঁর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জাপা মহাসচিবকে নিয়ে মোট আটজন সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুদক।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টচার্য বলেন, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় রুহুল আমিন হাওলাদারের উল্লেখিত সম্পদের বাইরেও বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কুয়াকাটায় তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। দুদক এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের নগদ অর্থ ছিল ১৭ লাখ ৬৮ হাজারের কিছু বেশি। কিন্তু পাঁচ বছর পর এসে এখন তাঁর নিজের নগদ টাকাই আছে ছয় কোটি ৬৬ লাখের বেশি। ২০০৮ সালে তাঁর নামে কোনো শেয়ার বা বন্ড ছিল না। এখন তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নামে সাড়ে আট কোটি টাকার শেয়ার, দুটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি, প্লটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদ বেড়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী, জাপা মহাসচিব বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে আয় করেছেন এক কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। গতবার এ খাত থেকে আয় করেন ১৩ লাখ আট হাজার ৯৩৮ টাকা। সাংসদ ভাতা হিসেবে তাঁর বার্ষিক আয় ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬২৫ টাকা।

গত পাঁচ বছরে রুহুল আমিন হাওলাদার ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি এবং তাঁর স্ত্রী ৫৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি গাড়ির মালিক। স্ত্রীর কাছে ১০০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য অলংকার রয়েছে। আর রুহুল আমিন ধার দিয়েছেন ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এমনকি স্ত্রীকেও তিনি অর্থ ধার দিয়েছেন।

রুহুল আমিনের নামে গুলশানে ১২ দশমিক ৭ কাঠা জমি, স্ত্রীর নামে পূর্বাচলে সাড়ে ৭ কাঠা জমি, রুহুল আমিনের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন আছে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৮ টাকা মূল্যের। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে ২০০৮ সাল থেকেই ১০ লাখ টাকার দালান ও একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে বলে রুহুল আমিন হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০