November 13, 2018

তুমি রবে নিরবে আমাদের মাঝে–

--- ৬ মে, ২০১৩

লিটন বাশার ॥ কি নামে ডাকি, বল- কি দিয়ে বুঝাই, তুমি শুধু তুমি নও, আরো যে কত কি? রাজনীতিবিদ , সাহিত্যিক, নাট্য ব্যক্তিত্ব, সজ্জন,   মুক্ত চিন্তার – মুক্ত মনের মানুষ নাকি অন্য কিছু? কি উপমা তোমার কিই বা সম্মোধন আর কোন  পরিচয়ে আজ তোমায় উপস্থাপন করবো বুঝে উঠতে পারছি না। তার চেয়ে শুধু তোমার নাম মোশারেফ হোসেন শাহজাহান এই টুকুই যথেষ্ট আমাদের সকলের কাছে। এই প্রিয় নাম, প্রিয় মুখ,  প্রিয় কন্ঠস্বর তোমাকে  প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে আমাদের কাছে দাড় করিয়েছিল মহান সৃষ্টিকর্তা রব্বুল আল-আমীন। গত বছর ঠিক এই দিনে তোমাকে মৃত্যুর হিম শিতল পরশ স্পর্শ করেছে। ঠিক এই দিনে তুমি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে আমাদের ছেড়ে তুমি চলে গেছে দূরে , বহু দূরে। আমাদের শোক সাগরে ভাসিয়ে তুমি চলে গেছো না ফেরার দেশে।  পৃথিবীর কোন শক্তি তোমাকে আর আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে পারবে না জানি। তবুও বলবো চলে মানেই প্রস্থন নয়। বছর ঘুরে সেই শোক কাতর দিনে তোমার সেই প্রিয় মুখ এবং কন্ঠস্বর আমাদের স্মৃতির পাতায় আজ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তোমার সহজ সরল জীবন ব্যবস্থা ও বিচক্ষন রাজনীতির ইতিবাচক দিক গুলো আমাদের আজো মন ছুয়ে যায় । তুমি সারা জীবন রবে নিরবে আমাদের মাঝে। তুমি ছিলে কর্ম বীর । তাই তোমাকে তোমার মহতি কাজের মধ্যেই আজও খুজে ফিরি আমরা। কথায় কাজে বিনয়ী স্বভাব- সুলভ আচরন আর বিশাল কর্মযজ্ঞ শুধু  তোমার প্রিয় জন্ম দ্বীপ ভোলা কেন পুরো দেশবাসীর মনে রেখা পাত করে আছে। তুমি আমাদের মাঝে বেচে থাকে তাদের মহৎ কাজের মধ্য দিয়ে। হ্যা পাঠক প্রয়াত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের কথাই বলছি।
সত্যিই মোশারেফ হোসেন শাজাহান সাহেবের মত একজন বিরল বৈচত্রময় সৎ আর্দশবান নি:অহংকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এ যুগে খুজে পাওয়া মুশকিল। গত বছরের এইদিনে তিনি নশ্বর এ ধরাধামের মায়া মমতা ত্যাগ করে পরলোকে চলে গেছেন।  দেশের গাঙ্গেয় অব বাহিকার দ্বীপ জেলা ভোলার রাজ পরিবার বললেও ভূল হবে না সেই আলতাজের রহমানের জেষ্ট্য পুত্র হিসাবে অনেকটা সোনার চামুচ মুখে নিয়েই জন্ম গ্রহন করেছিলেন এ সোনার মানুষটি। যতটা জানি আলতাজের রহমান নিজে তালুকদার বংশের ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি ছিলেন। কিন্ত ভোলার স্থানীয় সংস্কৃতি হচ্ছে এ ধরনের সম্ভান্ত্র পরিবারের ব্যক্তিদের ‘মিয়া’ সম্মোধন করা  হয়ে থাকে। ‘স্যার’ সম্মোধনের চেয়েও মিয়া সম্মোধনটি ভোলার মানুষের কাছে এখনো বেশী সম্মান বয়ে বেড়ায়। তারা কথায় কথায় বলেন ‘ কিও লাগে যেন মেয়া – ভূইয়া হইছোস’! অথবা ‘ মেয়া – ভূইয়ার লাহান দিন-রাত ঘুম জাস ক্যান’! অর্থাৎ সেই মোগল আমলের মতই মিয়া আর ভূইয়া যেন এখনো সম্মানের প্রতিক হয়ে আছে এ দ্বীপের মানুষের কাছে। তাই আলতাজের রহমানের সন্তান হওয়ার মত গর্বিত সন্তান হয়ে মোশারেফ হোসেন শাহাজাহান ছোট বেলা থেকে সম্মান বয়ে বেড়াতেন। এমনও শুনেছি কেউ যদি তখন বেশী সাজ গোজ করে শাট প্যান্ট পরে ফিট-ফাট হয়ে রাস্তায় বের হতেন তখন তাকে দেখে বন্ধুরা হাস্য রসের সুরে বলতেন ‘ কিও লাগে যেন আলতু মিয়ার পোলায় যায়, অথবা কিও আলতু মিয়ার পোলার লাহান সাজগোজ কইরা কই পথ দিছোস?’ মরহুম আলতাজের রহমানকে ভোলার মানুষ আলতু মিয়া হিসাবেই সম্মোধন করতেন। সেই হিসাবে তার পুত্র হওয়ায় মোশারেফ হোসেন শাজাহানও ‘মিয়া’ পদবী বয়ে বেড়িয়েছে আমৃত্যু। এক নামে শাজাহান মিয়া হিসাবেই তিনি সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন । শৈশব কৈশর কেটেছে খোদ প্রাচ্যের ভেনিস হিসাবে পরিচিত বরিশাল নগরীতে। এই নগরীর বরিশাল কলেজ সংলগ্ন আজিজ মহল নামের বাড়িতেই তিনি বসবাস করতেন। বাড়িটি ছাড়াও নগরীর রাজা রায় বাহাদুর সড়ক ও অশ্বীনি কুমার টাউন  হলের স্মৃতিতে জীবিত অবস্থায় নিজেকে জড়িয়েছিলেন জননেতা মোশারেফ হোসেন শাহজাহান। ছোট বেলায় তিনি সাইকেল চালিয়ে রাজা-রায় বাহাদূর সড়ক হয়ে পাকিস্তানী রকেম স্টীমার দেখতে যেতেন। স্টীমার কোম্পানী তৎকালীন জাহাজ পরিচালনা সংস্থার অধিকর্তাদের  সন্তানরা ছিলেন মোশারেফ হোসেন শাজাহানের বাল্যবন্ধু। ভোলায় স্থায়ী বসবাস ও পড়াশুনা করার পরও বিভিন্ন সময় নাটকের দল বরিশালের অশ্বীনি কুমার হলে নাটক মঞ্চস্থ করতে এসেছে। শিল্প সংস্কৃতির সাথে কিশোর বয়সে জড়িয়ে যাওয়া মোশারেফ হোসেন শাজাহান  শুধু কি পাকা অভিনেতা ছিলেন! শিল্প সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে এবং পৈত্রিক ব্যবসা দেখা শোনার মধ্য দিয়ে জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে সাফল্য কুড়িয়েছেন এ মানুষটি।
বাবা আলতাজের রহমানের কাছ থেকেই রাজনীতির হাতে খড়ি মোশারেফ হোসেন শাজাহানের। প্রথম যখন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তখন তিনি তেমন কিছুই জানতেন বলে বহুদিন আমার সাথে স্মৃতি চারন করেছিলেন। প্রসঙ্গক্রমে একাধিক বার বলেছেন এবং নিজের প্রকাশিত বইতে লিখে গেছেন রাজনীতির সেকাল এ কালের পার্থক্যের কথা। তরুন বয়সে নির্বাচনে প্রতি দ্বন্দ্বিতার সময় আলতু মিয়ার ছেলে নির্বাচনে দাড়িয়েছে এ খবর শুনে অনেক মানুষ তার হাতে এসে টাকা গুজে দিয়ে গেছেন। নির্বাচনে খরচ হবে তাই যেন পাড়া প্রতিবেশী সকলেরই টেনশন। শুভাকাঙ্গীরাও জোর করে টাকা দিয়ে যেতেন। আর এখন টাকার জন্য কর্মীরা পার্টি অফিসে পারলে অবরোধ করে রাখে। আর ভোটের সময় তো টাকা না দিলে কর্মীরা কথাও বলতে চায় না। জীবনের শেষ বেলা ভূমিতে দাড়িয়েছে মোশারেফ হোসেন শাজাহান শুধু এই তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করে বিদায় হননি। বরং নষ্ট রাজনীতির ভ্রষ্ট পথে থমকে দাড়িয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ বয়সে রাজনীতির আকাশে বেশ কালো মেঘ জমাট বেধে ছিল। স্বাধীনতার পূর্বেই তিনি ভোলার জননেতা হয়ে উঠেছিলেন। জাতীয়তাবাদী দলের জন্ম গ্রহনের পর সেই জিয়াউর রহমানের রাজনীতির হাল ধরে তখন খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভিষিক্ত হয়েছিলেন। তখন বরিশাল বিভাগ হয়নি। বরিশালের নেতারাই মনোনয়নের জন্য ভোলায় শাজাহান সাহেবের কাছে ধর্না দিতেন। শুধু বরিশাল নয় পুরো খুলনা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়-ঝাপ ছিল ভোলায় শাহাজাহান সাহেবের বাড়িতে। তখন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের ক্ষমতা ও মর্যাদা অনেক বেশী ছিল। বিএনপির রাজনীতির সেই চেইন অব কমান্ড ধিরে ধিরে ভেঙ্গে পরলো।
বিশেষ করে তারেক রহমান যখন নেতৃত্বে আসলেন তখন মোশারেফ হোসেন শাজাহানের মত বিএনপিকে মেধা ও শ্রম দিয়ে গড়া তোলা কারিগড় গুলো একে একে  মূল্যহীন হয়ে পরতে লাগলেন।
 মোট দুই বার প্রতি মন্ত্রী হওয়ার মধ্যে শেষ বার শাজাহান ভাই যখন প্রতিমন্ত্রীর প্রস্তাব পেলেন তখন বেকে বসলেন। রাজনীতির এত ত্যাগের বিনিময়ে তিনি হবেন প্রতিমন্ত্রী আর বার বার রাজনীতিতে ডিগবাজি দেয়া মেজর হাফিজ হবেন  ফুল মন্ত্রী মানতে পারলেন না শাজাহান ভাই। ভোলায় খবর এলো তিনি শপথ অনুষ্টানে যাচ্ছেন না। রাগে ক্ষোভে অভিমানে তিনি বাক রুদ্ধ । অনেকেই ফোন করেছিলেন তাকে মন্ত্রীত্ব গ্রহনের জন্য। সেই অনেকের মধ্যে আমিও শুভাকাংঙ্খী হিসাবে একজন। শাজাহান ভাইকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম আপনি যেহেতু ধর্ম মন্ত্রনালয় পাচ্ছেন তাই আপনার উপর তো আর কোন মন্ত্রী থাকছে না। প্রতিমন্ত্রী হলেও আপনার অধীনেই চলবে মন্ত্রনালয়। তখন হাসতে হাসতে আগের বার প্রতিমন্ত্রী হওয়ার গল্প করতে গিয়ে বললেন ‘ আগের কেবিনেটে এত মন্ত্রী – প্রতিমন্ত্রী ছিল যে গাড়ির বহরে দেহরক্ষী, চালক এবং ব্যক্তিগত স্টাফরা এমনকি মন্ত্রীরা মাঝে মধ্যে নিজের গাড়ি খুজে পেতে ভূল করে অন্য গাড়িতে গিয়ে উঠতেন। এটা শুধু বিব্রতকর নয়, ছোট্ট এই দেশে এত মন্ত্রী কেন লাগে বলতে পারো? আমি কি ভাবে বলবো শাহজাহান ভাই। উত্তর দিলাম। তার পর তিনি আর বেশী কথা বাড়ালেন না। ফোন রাখলেন।  আমার একার কথায় তো আর মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের মত বিচক্ষন রাজনৈতিক নেতা শপথ গ্রহন করতে যাননি। নিশ্চয়ই তার রাজনীতির নির্ভরতার প্রতিক হিসাবে যে সব তারকা কর্মীরা ছিলেন তাদের পাশাপাশি তার মতই রাজনীতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠা ভোলা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর সহ পরিবারের সদস্যদের মতামত নিয়েই মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্টানে গিয়েছিলেন। এটা আমার ধারনা।
 মন্ত্রী হওয়ার পর ২/৪ বার সর্বোচ্চ দেখা হয়েছে শাহজাহান ভাইর সাথে। ফোনে কথা হয়েছে এক বার। ঢাকায় যখন দেখা হয় তখন তাকে একান্ত কাছে পেয়ে বিএনপির অভ্যন্তরীন রাজনীতির বিষয় সম্পর্কে একটি তথ্য জানতে চেয়েছিলাম। তিনি মুখটা কালো করে তারেক জিয়াকে ইঙ্গিত করে বললেন আসলে তরুনদের নিয়ে বিএনপিতে একটি বলয়ে তৈরী হয়ে গেছে। তা তুমিও জানো।  আমরা আসলে সেই বলয়ের বাইরে তাই এত ভিতরের খবর আমি তোমাকে বলতে পারছি না। এরপর তত্বাবধায়ক সরকারের শুরুতে বিবিসি’র একটি সংলাপ অনুষ্টানে যোগদিতে বরিশাল এসেছিলেন শাজাহান ভাই। ইত্তেফাকের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক এমপি তাসমিমা হোসেন সেই অনুষ্টানে শাহজাহান ভাইর মতই অংশ গ্রহনের জন্য আসেন। সেখানেই শেষ দেখা হলো শাজাহান ভাইর সাথে। দেখা মাত্রই কাছে নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন। এটা তার একটি অন্যতম গুন। প্রিয় মানুষ বা কাছের মানুষ পেলে বুকে জড়িয়ে ধরা, হাতটা ধরে নিয়ে নিজের হাতের মুঠোয় রাখা, আদর করা তার স্ব-ভাব সুলভ একটি আচরন।  তার উপরে আমার সাথে তার দেখা দীর্ঘ দিন পর। শাজাহান ভাই আসবেন আমি আগেই জানতাম তাই বেশী অবাক হয়নি। তিনি আমাকে দেখেই যেন হতবাক। বুকে জড়িয়ে ধরে এক শ্বাসে অনেক প্রশ্ন। এ যেন হঠাৎ রাস্তায় , অফিস অঞ্চলে, হারিয়ে যাওয়া মুখ, চমকে দিয়ে বলে, বন্ধু কি খবর বল? তিনি আমাকে দেখে চমকে গিয়েছিলেন যেন। ‘বললেন আহারে আমাদের লিটন , কতদিন পর দেখলাম তোমারে’।  আর আমি চমকে গেলাম তার মনোনয়ন বঞ্চনা আর মৃত্যুর আগের বছর বরিশালের আদালতে মামলায় হাজির হওয়ার খবর শুনে এবং আদালত থেকে বেড়িয়ে আসার ছবি দেখে। হাফিজ ইব্রাহিমের হাত ধরে আদালত থেকে জামিনে বেড়িয়ে আসার সেই শেষ দৃষ্টটিই আমার ফেইস বুকে আপলোড করে নিয়েছিলেন। হাজারো স্মৃতিতে ঘিরে থাকা মানুষটির সাথে কত গল্প আর কত আড্ডায় মেতেছিলাম কিন্ত কোন স্মৃতি বিজরিত ছবি নেই। যে ছবি টি আছে তা কোন সম্মানের স্মৃতি নয়। ঐ ছবিটি অতি যতনে রেখেছি কম্পিউটারে। আর বাকী জীবনের স্মৃতি গুলো রেখে দিয়েছি হৃদয়ের গহীনে।   তার লেখা চরকলমির সুখ দু:খ বইটির প্রতিটি শব্দ যেন এখনো মুখস্থ হয়ে আছে আমার। মুক্ত চিন্তার এ মানুষটির লেখা চর কলমির সুখ দু:খ নামে বই নাটক সহ একাধিক সাহিত্য রচনা আমাদের মুগ্ধ করেছে। তার লেখা একাধিক নাটক দেশের সেরা প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। মানুষের কথা তুলে ধরা এবং মানুষের জন্য রাজনীতি করাই ছিল যে মানুষটির মুল মন্ত্র তাকে আমরা ভূলি কি করে। মানুষকে ভালবেসেছেন তাই হয়তো মানুষের অন্তরেই থেকে গেছেন জননেতা মোশারেফ হোসেন শাজাহান। শান্ত নিরহ নি:অহংকারী এ মানুষটির মৃত্যু বার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে আমন্ত্রন পেয়েও যেতে পারলাম না। তবে দোয়া করছি আল্লাহ রব্বুল আল-আমীন যেন তাকে জান্নাত বাসী করেন। তার পরিবার পরিজন যেন থাকেন সুখে শান্তিতে সম্মানের সাথে।
জননেতা মোশারেফ হোসেন শাজাহানকে পাওয়ার জন্য খুঁতখুঁতে অনন্তকালকে তন্ন তন্ন করে খুজবার কোন  প্রয়োজন নেই । বেমানান বস্তু অমরত্ব / শিরা উপশিরা কাটা তত্ত্ব। তাই শাহজাহান ভাই অমর হয়ে থাকবেন চিরকাল আমাদের মাঝে।
এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে,
পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন,
মানুষ র’বে না আর, র’বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ
সেই প্রিয় মুখের স্বপ্নে আমরা র’বো বিভর।
রক্তে রক্তে ভ’রে আছে আজ মানুষের মন
রোম নষ্ট হয়ে গেছে…গেছে বেবিলন
পৃথিবীর সব গল্প কীটের মতন
একদিন ভেঙে যাবে: হয়ে যাবে ধুলো আর ছাই
রোম নাই আজ আর- বেবিলন নাই
আজো তবু হৃদয়ের হৃদয়কে চাই।
আমাদের হৃদয়ে সারাটি জীবন থাকবেন শাহজাহান ভাই ।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

নভেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« অক্টোবর    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০