তেতুঁলিয়ার তীরে আলো বিলাচ্ছে ব্রাইট ফিউচার স্কুল

মনিরুজ্জামান, বোরহানউদ্দিন (ভোলা) সংবাদদাতা ঃ
পিছিয়ে পড়া, দরিদ্র আর মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় প্রাইভেট বানিজ্যের বিকল্প হিসাবে ব্যক্তি উদ্যোগে এগিয়ে আসছে ‘ব্রাইট ফিউচার স্কুল’।ভোলা,দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন এই ৩ উপজেলার মিলন মোহনা তেতুঁলিয়া নদীর তীরে খায়েরহাট বাজার সংলগ্ন মাতাব্বর বাড়ীর দরজায় ২০১৬ এ প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। আমেরিকা প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার আক্তারউজ্জামান এর অর্থায়নে এবং তারিকুজ্জামান ইকবালের পরিচালনায় চলছে এ প্রতিষ্ঠানটি সুবিদা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে আলো বিলাচ্ছে‘ব্রাইট ফিউচার স্কুল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
সরজমিন ঘুরে জানা গেছে, নদীর পাড়ে ঝড়ে পড়া এবং গরিব, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করা লক্ষ্যে ২০১৬ সালে জানুয়ারী মাসে এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠে। এখানে দ্বিতীয় শ্রেণী হতে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ৫০ জন। ৩ জন শিক্ষকের পরিচালনায় বিকাল ৫ টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে ক্লাস। এতে শিক্ষার্থীদের কোন বেতন দিতে হয় না। বরং শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মনোযোগ ভাড়াতে রাতে হালকা নাস্তার ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ ও দিয়ে থাকেন।
৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী চয়নতেলী, চতুর্থ শ্রেণীর রাবেবা, কবিতা আক্তার, পঞ্চাম শ্রেণীর হাবিবুর রহমান, ৮ম শ্রেণীর মো: ইব্রাহীম বলেন, প্রাইভেট পড়ার সামর্থ্য আমাদের নেই। আমাদের স্কুল ছুটি হলে বিকালে এখানে পড়তে আসি। এখানে অনেক সুন্দর করে আমাদেরকে পড়ায় এবং রাতে নাস্তা দেয়। আমাদেরকে কোন বেতন দিতে হয় না।
এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আওলাদ হোসেন জানান,এখানকার অনেক পরিবার মাছ ধরে সংসার চালান। ওই সকল পরিবারের সন্তানরা টাকার অভাবে প্রাইভেট পড়তে পারে না। সেকল শিক্ষার্থীদেরকে এখানে বিনামূল্য পড়ানো হয়। আমরা তাদেরকে মান সম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি।
গংগাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম জানান,এখানে ভাল পড়ালেখা হচ্ছে।এলাকার স্বার্থে তিনি সমাজের বৃত্তবানদের এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসার আহবান জানান।