August 21, 2019

নাস্তিক ব্লগারদের বিরুদ্ধে দুর্বার গণ আন্দোলন ॥ ৬ এপ্রিলের লংমার্চ সফল করার আহবান

--- ২৩ মার্চ, ২০১৩

বরিশালটুডেডটকম ॥ কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে ২ দিন ব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে গতকাল শনিবার সকালে ওলামা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জামিয়া রাহমানিয়া ঢাকা’র প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক। মাওঃ ওবায়দুর রহমান মাহবুবের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন হাফেজ মাওঃ রুহুল আমিন ও মুফতী রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন মুফতী নূরুল আমীন, পীর সাহেব, খুলনা, মাওঃ জুনায়েদ গুলজার, মুফতী গোলাম মাওলা, মাওঃ ফোরকান বিন হুসাইন, মাওঃ মাহমুদুল হাসান, মাওঃ আবু বকর সিদ্দিক, মুফতী আঃ জলিল তালুকদার, মাওঃ ওমর ফারুক, মাওঃ আঃ হক কাওসারী, মাওঃ আবু সাঈদ মুফতী সুলতান মাহমুদসহ জেলা ও থানা প্রতিনিধিগণ। সভায় বক্তারা বলেন, নৈতিক চরিত্রে বলীয়ান ও দুর্নীতিমুক্ত সুশিক্ষিত জাতি গঠনে কওমী মাদরাসার গুরুত্ব অপরিসীম। কওমী মাদরাসাগুলো জাতি গঠনে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। কওমী মাদরাসা না থাকলে এদেশের ইসলাম, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিলীন হয়ে যাবে। তাই ইসলাম, দেশ ও জাতীয় স্বার্থেই কওমী মাদরাসাগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হবে এবং এর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলমান রাখতে হবে। আর এজন্যই ঐক্যবদ্ধতা প্রয়োজন। উপস্থিত ওলামাগণ কওমী মাদরাসার গৌরবোজ্জ্বল অতীত তুলে ধরে বলেন, কওমী মাদরাসার জন্মই হয়েছিল অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের চেতনা নিয়ে। এ চেতনাকে সংরক্ষণ করতে হবে এবং নাস্তিক বিরোধী আন্দোলনে সর্বশক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। কেননা এই ভয়ংকর নাস্তিকতা ইসলাম, দেশ ও জাতিকে বিপন্ন করে তুলবে। বরিশাল বিভাগের ওলামায়ে কেরাম স্পষ্টভাষায় ঘোষণা দেন কোন নাস্তিককে বরিশাল বিভাগে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। দক্ষিণবঙ্গবাসী জীবন দিয়ে হলেও নাস্তিকদের প্রতিহত করবে। সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলা ও থানাসমূহ থেকে হাজার হাজার কওমী ছাত্র, শিক্ষক ও তৌহিদী জনতা অংশগ্রহণ করে। সভায় নিম্নোক্ত দাবীসমূহ জানানো হয়।
চল চল ঢাকা চল, লং মার্চ সফল কর
বাদ মাগরিব আগামী ৬ মার্চ লংমার্চ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুত গ্রহণের আহবান জানান সভার প্রধান অতিথি ছিলেন মাওঃ নূর হোসাইন কাসেমী। তিনি বলেন, যারা নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলন করছে, তাদেরকে জামাত শিবির ও যুদ্ধাপরাধের বিচার বিরোধী বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। নাস্তিকদের বিরুদ্ধে কথা বললে যুদ্ধাপরাধের বিচার বিরোধী হয় কিভাবে ? এরা কি দুই সতীন ? যে একজনের বিরুদ্ধে বললে, আরেকজনের পক্ষে যাবে। আমরাও যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই, তবে তা ন্যায় বিচারের সাথে হতে হবে। যুদ্ধাপরাধের জন্য যদি ফাঁসি হয়, তবে আল্লাহর বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য শতবার ফাঁসি দিতে হবে। তাই কোন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে মহান আল্লাহ্, কোরআন ও মাহনবী (সাঃ)-কে কটুক্তিকারী নাস্তিক মুরতাদদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মাওঃ জুনায়েদ আল হাবিব, মাওঃ ওবায়দুল্লাহ্ ফারুক, মুফতী নূরুল আমিন প্রমূখ।

ফেইসবুকে আমরা