July 20, 2019

পটুয়াখালী মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে ওষুধ নেই ॥ সেলামী না দিলে রোগীদের সাথে দুর্বব্যহার

--- ২৩ মার্চ, ২০১৯

পটুয়াখালীর মা ও শিশু কল্যান চিকিৎসা কেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ নেই। চিকিৎসা নিতে আসা গর্ভবতী ও প্রসূতীদের চিকিসার সমুদয় ওষুধ কিনতে হয় বাইরে থেকে। সেবা পেতে দিতে সেলামী। এসকল অভিযোগ সেখানে আসা ভূক্তভোগীদের।
জেলা সদরে গর্ভবতী ও প্রসূতী মায়েদের এবং নবজাতকের চিকিৎসার জন্য রয়েছে ২০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান চিকিসা কেন্দ্র। সেখানে আউটডোরে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী আসে চিকিৎসা সেবা নিতে। এদের অধিকাংশকেই ওষুধ ছাড়াই শুধু ব্যবস্থাপত্র হাতে নিয়ে আসতে হয়। অপরদিকে, এই কেন্দ্রে প্রতিমাসে গড়ে প্রায় অর্ধশত ভর্তি রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়। যাদের স্বাভাবিক কিংবা সিজারের মাধ্যমে প্রসব হয়ে থকে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঐ চিকিৎসা কেন্দ্রে গিয়ে কথা হয় দক্ষিন বিঘাই গ্রামের ফিরোজ আলমের সাথে। তিনি জানান, তার সন্তান সম্ভবা স্ত্রী লাবনী আক্তারকে (২২) এখানে এনে ভর্তি করান এবং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এখানে চিকিৎসার জন্য তাকে বাইরে থেকে সকল ওষুধপত্র কিনে দিতে হয়েছে।আয়া-সুইপারদের খুশী করা ছাড়াও বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হয়েছে আড়াই হাজার টাকা সেলামী।
একইসময় ঐ চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা শেষে রিলিজ নেয়া মির্জাগঞ্জের সুবিদখালীর মরিয়ম আক্তার (২০) ও সদর উপজেলার লোহালিয়ার পারভীন বেগমের (২৩) সথে থাকা লোকজন জানান একই ধরনের কথা। তারা বলেন, এখান থেকে একটা সুই-সিরিঞ্জ পর্যন্ত দেয়া হয়না। সেলামের সাথে সেলামীতো দিতেই হয়।
এব্যাপারে সেখানে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. ইসরাত জাহান ওষুধ সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বরাদ্দকৃত ওষুধ শেষ হয়ে যাওয়ায় গত দু’মাস ধরে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। যা আছে তা এখান থেকে দেয়া হয়। তবে সেলামী নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। এখানে বিনা বেতনে তিনজন আয়া-সুইপার রোগীদের কাজকর্ম করে তাদেরকে রোগীর লোকজনরা কুশী হয়ে কিছ’ দিয়ে থাকতে পারেন।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« মে    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১