April 20, 2019

লটকন

--- ২ জুন, ২০১৪

মাসুদ আমিন।। এ দেশের একটি অপ্রচলিত ও খাদ্যমানে সমৃদ্ধ ফল হচ্ছে লটকন। এ ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর চাষও লাভজনক। বাড়ির আঙিনায় বা বড় বড় গাছের নিচে অধিক ছায়াযুক্ত জায়গায় খুব সহজেই লটকনের চাষ করা যায়। চারা রোপণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত। রোপণের তিন-চার বছর পর থেকেই গাছে ফল ধরতে শুরু করে।
এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে লটকন গাছে ফুল আসে। গ্রীস্মের শুরু থেকেই ফল পাকতে শুরু করে।  লটকন  গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত এমনভাবে ফল ধরে যে, তাতে গাছের ডাল অনেক সময় দেখা যায় না। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক গাছে গড়ে প্রায় ১২০-১৩০কেজি লটকন ধরে।একটি গাছ গড়ে ১৮-২০ বছর ফল দেয়।
লটকন ফল গোলাকার এবং পাকলে হলুদ বর্ণ ধারণ করে।  ফল হিসেবে লটকন যেমন খাদ্যমানে ভরপুর তেমনি ক্যালসিয়াম, ক্যারোটিন ও খনিজ লবণে সমৃদ্ধ। বর্তমানে আমাদের দেশে লটকনের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।সুপার সপগুলোতে থাইল্যান্ডের লটকন উচ্চ মূল্যে পাওয়া যায়। নরসিংদী এলাকায় লটকনের ফলন বেশি। এ ছাড়া সিলেট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুড়িগ্রাম,
লালমনিরহাট, গাজীপুরেও লটকনের চাষ হচ্ছে। নরসিংদীর শিবপুর,মনোহরদী,রায়পুরা ওবেলাব এলাকা এখন লটকনের গ্রাম বলেই পরিচিত।

জেলাভিত্তিক এর বেশ কিছু স্থানীয় নাম আছে। চট্টগ্রামে এর নাম হাড়ফাটা,সিলেটে ডুবি, ময়মনসিংহে বলে কানাইজু। এর মোটা খোসার ভেতরে তিন- চারটি রসাল কোষ থাকে, যেগুলোর স্বাদ অম্লমধুর।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

এপ্রিল ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« মার্চ    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০