July 22, 2017

সাধারন মানুষের ভোগান্তির নাম বিকাশ

--- ১ আগস্ট, ২০১৩

news-today-barisal-bkas

শাহিন সুমন ॥ সাধারন জনগন কে বিভিন্ন রকমের সেবা দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিজেরা সুবিধা নিচ্ছে হায় হায় কম্পানীতে রুপান্তরিত হওয়া বিকাশ। ব্রাক ব্যাংক কতৃক প্রতিষ্ঠিত এ বিকাশ এখন সাধারন মানুষের কাছেএখন ভোগান্তির নাম। বিকাশ সুবিধার বদলে অসুবিধা ও হয়রানিই বেশি করছে। বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে সাধারন মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে ফেলছে। আর  এতে বিকাশ কর্তৃপক্ষ বা কর্মকর্তাদের বিন্দু মাত্র ভ্রক্ষেপ নেই।

সাধারন মানুষ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতারিত হয়ে এখন নতুন ভাবে প্রতারিত হচ্ছে এই বিকাশ দিয়ে। এরা শুধু বরিশাল শহর ও জেলা গুলোতেই নয় সারা দেশেই একত্রে প্রকট রুপ নিচ্ছে বিকাশ। এদিকে বিকাশে সাধারনের জন্য একটি হেলপ লাইন নাম্বার ১৬২৪৭ দিলেও ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলেও লাইন পাওয়া যায় না এই হেলপ লাইনে। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন বিকাশ একাউন্ট নাম্বার থেকে একটানা আড়াই তিন ঘন্টা চেষ্টা করেও লাইন পাওয়া যায়নি বরং শতাধিক টাকা কেটে নেয় গ্রাহক অপেক্ষায় রেখে। এভাবে বিভিন্ন দিনই গ্রাহকদের কাছ থেকে হেলপ লাইনের মাধ্যমে  টাকা  হাতিয়ে নিচ্ছে বিকাশ কতৃপক্ষরা।

বিভিন্ন মিডিয়ায় বিকাশ চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে আস্থা আনার চেস্টা করছে এবং সাধারন মানুষ ও তাদের মন ভোলানে প্রতিশ্রুতিতে একাউন্ট খুলছে।  কিন্তু সাধারন মানুষ জানে না একাউন্ট খোলার পরই তাদের ভোগান্তির শুরু। ভুক্ত ভুগীদের কাছে বিকাশ একটি হায় হায় কম্পানীতে রুপ নিয়েছে। গতকাল একাধিক ভুক্তভোগীরা পত্রিকা অফিসে এসে তাদের অসহায়ত্বর কথা গুলো জানায়। অন্যদিকে বিকাশের দ্বায়ীত্বে থাকা বরিশালের কর্মরতরা এসি রুমের মধ্যে ইজি চেয়ারে বসে কম্পিউটারের সামনে কি-বোর্ডের বুতাম চাপছে। আর থাই গ্লাসের ভিতর থেকে বাহিরের পরিবেশ দেখছে কিন্তু ভুক্তভোগীদের খবর নিচ্ছে না কেউ। অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে বিকাশ সাধারন গ্রাহকদের সুবিধার নামে বাধাঁর সৃস্টি করছে। বিভিন্ন সূত্রে বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া বেশ কিছু ব্যাবসায়ী ও সাধারন মানুষের খবর জানাযায়।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ভুক্তিভুগীরা হলো নগরীর হাসপাতাল রোডের লাইট হাউজ এর ফোন ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, নতুন বাজার এলাকার এক ফোন ব্যবসায়ী, সদর রোডের কেয়া ডিপার্টমেন্টাল র্স্টোস, বাংলাবাজার এলাকার ব্যবসায়ী সোহেল, সাগরদী এলাকার দুই ব্যবসায়ী সহ আরো অনেকেই। ভুক্ত ভুগীরা কার কাছে অভিযোগ করবে এরকমের বিকাশের কোন কাষ্টমার  সেন্টার নাই।

সব মিলিয়ে দেশ বাসীকে প্রতারনার  ফাঁেদ ফেলতে বড় ধরনের ফাদঁ পেতেছে এই বিকাশ নামের প্রতিষ্ঠান। আর এসব প্রতারনার সাথে বিকাশের ও বিভিন্ন সীম কম্পানীর উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা জড়িত রয়েছে বলে জানাযায়। বিকাশের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা উঠানোর সুয়োগ দিলেও অতিরিক্ত টাকা কেটে নিচ্ছে গ্রাহকদের আর গ্রাহকরা না জেনেই টাকা তুলতে গিয়ে লোকসানের সম্মুখিন হচ্ছে। বরিশালের বিভিন্ন বিকাশ এজেন্ট এর কাছে টাকা তুলতে গেলে শোনাযায় টাকা নেই অথচ টাকা পাঠাতে গেলে যে অংকের টাকাই হোক পাঠানো যায়। কারন এই টাকা আতৎসাত করার সুযোগ থাকে অনেকটাই।

এব্যাপারে বিকাশের একজন উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করলে সে নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে  জানায়, ভাই বিকাশ সবে মাত্র নতুন, ু নেটওয়ার্ক সমস্যার কারনে একট অসুবিধা হতে পারে। সাধারনের সুযোগ সুবিধার জন্যই আমরা কাজ করছি। সাধারন মানুষ যাতে সর্বতœক সুযোগ সুবিধা পায় সে জন্য আমরা কাজ করবো। তবে সাধারন মানুষ এই সব প্রতিষ্ঠানের ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পেতে কার কাছে যাবে ?                                                                                  

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

জুলাই ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১