July 22, 2017

সন্ধ্যা-কীর্তনখোলার গর্ভে বরিশালের বিস্তীর্ণ জনপদ ও স্থাপনা বিলীন

--- ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

nodi-vagon

শাহীন হাফিজ ॥ চলতি বর্ষা মৌসুমে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে বানারীপাড়ার কাজলাহার, ব্রাহ্মণকাঠি, জম্বদ্বীপ, উত্তরনাজিরপুর, শিয়ালকাঠি, দান্ডয়াট, কালিবাজার, মসজিদবাড়ি, চাউলকাঠি, ঝিরারকাঠি,উজিরপুরের মিরেরহাট, বড়াকোঠা, সাকরাল, নারিকেলী, মালিকান্দা, লস্করপুর, চাউলাহার ও দাসেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী গ্রাস করে ফেলেছে ওই সব এলাকার ঘরবাড়ি, ফসলী জমি, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

ভিটেমাটি, ফসলী জমি ও সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব ও রিক্ত হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। নদী ভাঙ্গনের কারণে গত তিন মাসে বেশ কয়েকবার বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীর পশ্চিমপাড়ের শিয়ালকাঠি গ্রামে ফেরিঘাট স্থানান্তর করতে হয়েছে।

 উজিরপুর-সাতলা সড়ক যে কোন সময় নদী গ্রাস করে ফেলতে পারে। ওই সড়কটি নদীতে বিলীন হয়ে গেলে উপজেলা সদরের সঙ্গে ৬টি ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এছাড়া একই কারণে ২০১১ সালের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্প ভেস্তে গেছে।

নগর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরের চরকাউয়ায় আকস্মিক ভাঙ্গনে ২০ মিটার সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে আরো ২শ’ মিটার সড়কসহ চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ডের বহু স্থাপনা।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

জুলাই ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১