July 22, 2017

বরিশালে ফুটপাতে শীতবস্ত্রের বিকিনিকি জমজমাট

--- ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

sit-basro

কাজী রনী ॥ সর্বত্র শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার কারনে জমে উঠেছে নগরীর ফুটপাতের গরম পোশাকের দোকানের বেচা- কেনা। নগরীর আনাচে- কানাচে ঘুরে ভ্যান গাড়িতে করে যারা ফেরিওয়ালা হিসাবে শীতের  পোশাক বিক্রেতারা শীতের পোশাক বিক্রি করছে তাদের ব্যবসাও জমজমাট।  
নগরীর সদর রোড, লঞ্চঘাট, জেলা পরিষদের সম্মুখে, বিএম স্কুল গেট, নতুন বাজার, রুপাতলী, কাশীপুর বাজার, মরকখোলার পুল, নথুল্লাবাদ বাসর্টামিনাল, সাগরদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতের ওপর ও ভ্যান গাড়ীতে করে বাহারী রঙ্গের শীত বস্ত্র বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা সিংহ ভাগই মৌসুমী পোশাক বিক্রেতা। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার কারনে এ সব ফুটপাতের দোকানে ভির করছে  নিন্মবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন। ভ্যান গাড়িতে করেও এলাকা ভিত্তিক বিক্রি হচ্ছে শীতের গরম পোশাক। তবে এর দাম কম। এখানে শীতের পোশাক বিক্রির জন্য বিশেষ মার্কেট হচ্ছে মহসিন মার্কেট। সেখানেও পুরনো কাপড়ের গাইড এনে বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। তবুও এর মান ভাল এবং দাম তুলনা মূলক কম। তাই মধ্য বিত্তদের পাশাপাশি নগরীর বিত্তবানদেরও এ মার্কেটে শীতের পোশাক কিনতে ভির করতে দেখা যাচ্ছে।  

মহসিন মার্কেটের ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ জানান- শীতের শুরুতেই তাদের বেচা- কেনা ভাল ভাবেই চলছে। তবে গত ৩ দিন শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতার ভির মৌসুমের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ।

জেলা পরিষদ সংলগ্ন পুকুর পাড়ের ফুটপাতের পোশাক বিক্রেতা আজিজুর  রহমান জানান, চলতি শীত মৌসুমের শুরু থেকেই শীত শুরু হওয়ায় তার বিকিনিকি ভালো। গত ৩ দিনে তার বিক্রি সর্বোচ্চ হয়েছে বলে তিনি জানান। ফুটপাতের এ দোকান গুলোতে  ১’শ টাকা থেকে শুরু করে ৫’শ টাকার পর্যন্ত শীতবস্ত্র পাওয়া যায়। জেলা পরিষদের সম্মুখে শীতের পোশাক ক্রয় করতে আসা রিকসা চালক হামিদ আলী বলেন, অল্পদামেই প্রতি বছর এ ফুটপাত থেকে সে পোশাক ক্রয় করেন। চলতি মৌসুমের এতদিন তার পোশাক কেনার দরকার হয়নি। পুরনো যা ২/১ টা ছিল তা দিয়েই চালিয়ে দিয়েছেন। কিন্ত গত ৩ দিনের হাড় কাপানো শীতে টিকতে না পেরে এখানে এসে নিজের জন্য ও স্ত্রী – সন্তানদের খুব কম দামের কয়েকটি গরম কাপড় ক্রয় করেছেন।

ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকায় পোশাক বিক্রি করেন আব্দুল মান্নান ও কবির হোসেন । তারা জানান- মহসিন মার্কেট থেকে পাইকারী দরে খুব কমদামের পুরানো পোশাক গুলো তারা ক্রয় করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেন। পোশাক অনুযায়ী দামের ভিন্নতা নেই। বস্তিসহ নিন্ম বিত্তরা যে সব এলাকায় বাস করেন  সেখানে গিয়ে জোরে হাক মারেন ‘ শীতের পোশাক যে টা নিবেন, একদাম ৩০ টাকা’। এতদিন বিক্রি একটু কম হলেও গত ৩ দিন তারা দফায় দফায় মহসিন মার্কেট থেকে পোশাক নিয়ে বিক্রি করছেন। গড়ে তিন বারও পোশাক ক্রয় করে বিক্রি করতে হয়েছে চাহিদার কারনে।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

জুলাই ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১