July 25, 2017

কীর্তনখোলা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরন ॥ আহত -৫

--- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

Barisal-Pic-19-02=02[1]

কীর্তনখোলা নদীতে শনিবার রাত সোয়া ৯টায় একটি তেলবাহী ট্যাংকারের  ইঞ্জিন বিস্ফোরন হয়ে আগুন ধরে যায়। এতে ইঞ্জিন রুমে থাকা ৪ শ্রমিকসহ ৫ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে শেরেই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন ট্যাংকার চালক শহীদুল (৫০), লস্কর আবু সুফিয়ান (২৪), গ্রীজ নাজমুল (৫০), গ্রীজ হুমায়ুন কবির (৫০) ও বাবুর্চি সানাউল্লাহ। এদের মধ্যে তিনজনকে আশংকাজনক অবস্থায় রাতেই ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে।
দূঘর্টনা কবলিত ট্যাংকারের লস্কর সোহাগ মিয়া জানান- এম. টি. এ্যাংকর এইজ নামক ট্যাংকারটি চট্টগ্রামের ডিপো থেকে ৯ লাখ লিটারের বেশী জ্বালানী (ডিজেল ও পেট্টোল) নিয়ে ১৫ ফ্রেবুয়ারী চট্টগ্রাম থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর চাঁদমারী ডিপোর কাছে ট্যাংকারটি নোঙ্গর করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে ইঞ্জিনে বিস্ফোরন ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ‘অগ্নিঘাতক’ নামক নৌ-যান ৫টি ইউনিট নিয়ে সেখানে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। পরবর্তিতে ট্যাংকারটি বিআইডব্লিউটিএ’র টাগ বোটের সাহায্যে ডিপোর কাছে এনে তেল অপসরান করা হয়।
ট্যাংকারটিতে ১৩ জন ষ্টাফ কর্মরত। এর মধ্যে ৮ জন সম্পূর্ন ভাবে অক্ষত রয়েছেন। আহত ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা জানান, তাদের মধ্যে আবু সুফিয়ান ও সানাউল্লাহ্ ব্যতিত তিন জনের অবস্থাই আশংকাজনক। শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিটের রেজিস্ট্রার ডা. মোঃ শাহীন জানান, গুরুত্বর আহত তিনজনের মধ্যে নাজমুল ও হুমায়ুন কবিরের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ইনহেলিশন বার্ন বলে এবং শহীদুলের বার্নের সাথে হেড ইঞ্জুরী হওয়ায় তিনজনের অবস্থা আশংকাজনক। যে কারণে তাদের ঢাকা মেডিকেলে প্রেরন করা হয়েছে।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

জুলাই ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১