September 25, 2017

বরিশালের বাবুগঞ্জে করল্লার সাফল্যজনক উৎপাদন

--- ২২ জুন, ২০১৭

করোল্লা

✪ফয়ছাল আহম্মেদ।। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এবার করল্লার অভাবনীয় উৎপাদন হয়েছে। এতে কৃষক যেমন লাভবান হয়েছেন,দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্তি । কৃষি ক্ষেত্রে সরকারী প্রণোদনার সঠিক ব্যবহার হলে অন্যান্য সবজির ফলন আরো বাড়ানো সম্ভব জানালেন কৃষকরা। বাবুগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর ও অর্জুন মাঝি গ্রামের ১৫­২০ জন কৃষক এই করল্লা চাষ শুরু করেন ভ্রাদ্রমাসে। কার্তিক মাসের শেষ দিকে তুলতে শুরু করেন করল্লা। তখন পাইকারদের কাছে একশ টাকা দরে কেজি বিক্রি করেছেন তারা। বর্তমানে বিক্রি করছেন এক কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা। প্রতিজন কৃষক একদিন পরপরই দেড় থেকে দুই মন করল্লা ক্ষেত থেকে তোলেন ।করল্লা উৎপাদনে এই সফলতা এসেছে সম্পূর্ন ব্যক্তিগত উদ্যোগে। অর্জুনমাঝি গ্রামের কৃষক আবদুল মালেক মৃধার কোন জমি নেই। তবুও তিনি বসে নেই। বাড়ীর উঠানে করল্লা চাষ করে এলাকায় দারুন সাড়া ফেলেছেন তিনি। ওই পথে যাতায়াতকারীরা একবার থেমে তার করল্লা বাগান দেখে যান। এই আনন্দ আর তাদের প্রশংসা নিজের জমি না থাকার দু:খ ভুলিয়ে দিয়েছে তাকে এবং তার পরিবারকে। জমি না থাকার দু:খ ভুলে গেছেন এই পরিবার। চাকুরী ছেড়ে এসে কৃষি কাজে হাত লাগিয়েছেন গাজীপুর গ্রামের জাকির হোসেন।এবার ২৪ শতাংশ জমিতে করল্লা চাষ করে এখনই খরচ তুলে ৩০ হাজার টাকা জমিয়েছেন জানালেন। তিনি বলেন, সরকার যদি তাদের আরো উৎসাহ দিতো তাহলে ফসল ফলাতে তাদের আনন্দ বেড়ে যেত। অর্জুনমাঝি গ্রামের কৃষক কুদ্দুছ মোল্লা বলেন,‘যাদের সরকারী প্রণোদনা দেওয়া হয় তারা হলেন দলের লোক, কৃষি কাজ করেনা, বরং তারা ওই সব বীজ বাজারে বিক্রি করেন। আমারা আবার বাজার থেকে কিনি।’এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বাররা দলের লোক দেখে দেখে এই নাম লিস্ট করেন বলে অভিযোগ কৃষকদের। বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউনিয়নের গাজীপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ কৃষকদের এই অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, সরকারী প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে লিস্ট করার ব্যাপারে তাদের কোন হাত নেই। চেয়ারম্যান-মেম্বার সাহেবরা যাদের নাম দিবেন, তাদেরই ওই প্রণোদনা দেওয়া হয়। এছাড়া অন্য সব তারা সরাসরি কৃষকদের সরবরাহ করেন।#

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

সেপ্টেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০