September 25, 2017

শিক্ষার মানোন্নয়নে বোরহানউদ্দিনের নির্বাহি কর্মকর্তার ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

--- ৫ জুলাই, ২০১৭

05-07

মনিরুজ্জামান, বোরহানউদ্দিন ।।
শিক্ষার মানোন্নয়নে বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ আঃ কুদদূস এর নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ও মাদরাসা শিক্ষার মান্নেয়নে তার উদ্যোগ ও তত্তাবধানে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলির সমন্বয়ে প্রণীত অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হ”্ছ।েআগামীকাল থেকে একই রুটিনে সকল স্কুল ও মাদরাসায় ৬ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেনীর  ২১হাজার শিক্ষার্থী ব্যতিক্রমধর্মী এ ধারায় অর্ধ বার্ষিকী পরীক্ষা দিবে।
সোমবার দুপুরে নির্বাহি কর্মকর্তার দপ্তরে উপজেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময়ে কালে তিনি এ তথ্য জানান।এ সময় তিনি বলেন,প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দ্বীপজেলা ভোলা।অথচ জেলাটি শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে রয়েছে।এ ধারা থেকে আমাদেরকে অবশ্যই বেড়িয়ে আসতে হবে।যার কারনে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এটা পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে শহর ও গ্রামীণ স্কুলের লেখাপড়ার মানের মধ্যে ব্যবধান কমবে।শিক্ষকদের মাঝে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি ও গাইডভিক্তিক পড়ালেখা বন্ধ করে মুল পাঠ্যপুস্তুক ভিক্তিক পড়াশুনা বৃৃদ্ধি করা এবং কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার লাগাম টেনে ধরা, শিক্ষাথীদের মধ্যে সৃজনশীল ভীতি দুর করার জন্য এ উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। প্রতিটি বিষয়ে ৩জন অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়ে ৩ মাসের পরিশ্রমে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত মোট ১৮৬টি বিষয়ে প্রায় ২২৪০০০টি প্রশ্নপত্র ছাপানো হয়েছে।সেখান থেকে যাচাই করে সর্বোত্তম সৃজনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে।বুধবার সকালে নির্বাহি কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাঝে এ প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন
একাডেমিক সুপারভাইজার আয়েশা সিদ্দিকা,মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি বশির আহমেদ,সম্পাদক বশির উল্যাহ।
সরকারী আব্দুল জব্বার কলেজের অধ্যক্ষ,অধ্যাপক এসএম গজনবী বলেন-নির্বাহি কর্মকর্তার গৃহিত এটা একটি মহতি উদ্যোগ।শিক্ষা ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা আনয়নে এটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ।আমি মনে করি বাংলাদেশের সব উপজেলায় এ পদ্বতি অনুসরন করা হলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন হতো সৃষ্টি হতো উন্নত মানসিকতা সম্পন্ন দক্ষ মানব সম্পদ।বোরহানউদ্দিন আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আনসারী,মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ,বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল,ডিটিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান কাজী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি বশির আহমেদ ,বোরহানউদ্দিন উন্নয়ন ফোরামের আহবায়ক সাংবাদিক শিমুল চৌধুরী,যুগ্ন আহবায়ক মনিরুজ্জামান ও একাধিক অভিভাবক নির্বাহি কর্মকর্তার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন,তার এ যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারনে গাইড বই বিক্রি,কোচিং ও প্রাইভেট বানিজ্য বন্ধ ,শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের উপস্থিতি বৃদ্ধিসহ সৃজনশীল ভীতি কাটিয়ে উঠে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করবে।উল্লেখ্য বর্তমান নির্বাহি কর্মকর্তা বোরহানউদ্দিনে যোগদানের পর শিক্ষাখাতে কঠোর মনিটরিং করেন।বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক ভাবে ক্লাস নেওয়া সহ অধিকাংশ প্রাইমারী বিদ্যালয়গুলোতে মিড ডে মিল চালু করেন।যার কারনে বোরহানউদ্দিনে পিএসসি,জেএসসি,জেডএসসি,ও এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল হয়।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

সেপ্টেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০