December 15, 2017

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টায় গ্রেফতারকৃত ৬ জনের ৩ জন জেলহাজতে প্রেরন ॥ ৩ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

--- ২৬ নভেম্বর, ২০১৭

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর পত্র ফাঁসের চেষ্টার ঘটনায় আটক ৬ জনের মধ্যে তিন জনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত এবং অপর তিনজনকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রবিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অমিত কুমার দে এই নির্দেশ দেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডিবি) মোঃ নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করার পাশাপাশি ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এর মধ্যে তিনজনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। এরা হলেন, ঢাবির গনিক বিভাগের ছাত্র মাহামুদুল হাসান আবিদ, গলাচিপা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র সাব্বির আহম্মেদ প্রীতম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মুয়ীদুর রহমান। এছাড়া সিআইডির তালিকাভুক্ত ঢাবির ছাত্র মারুফ হোসাইন মারুফ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন শাহীন ও রাকিব আকন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ায় তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আটক ৬ জনের সাথে আরো কেউ জড়িত থাকার বিষয়টি তারা এখন পর্যন্ত স্বীকার করেননি। তবে কিছু বিষয় জানিয়েছে যা তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না।
তবে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ফাঁস চেষ্টার এই চক্রটি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত। তাদের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় কর্মকর্তারাও জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শনিবার সকাল ৭টায় বরিশাল নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম এ্যান্টি জ্যামারসহ প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ফাঁসের জন্য ব্যবহৃত বেশ কয়েক ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেন। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর ২১ শে হল শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতিসহ ৬ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে মারুফ হোসাইন মারুফ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র সিআইডির তালিকাভুক্ত ছিল।
মহানগর পুলিশ কমিশনার এস এম রুহুল আমিন জানান, আটক ব্যক্তিদের সাথে তিনজন ভর্তিইচ্ছুক পরীক্ষার্থীরা যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছে ১ লাখ করে টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করলে ভর্তি ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীরা এই চক্রের দেয়া এ্যান্টি জ্যামার ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস শরীরে বেঁধে ছোট ইয়ারফোন কানে লাগিয়ে পরীক্ষা দিতে যেতে পারতেন। এই ডিভাইস দিয়ে মুঠোফোনের মতই কথা বলা যায়। প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বাইরে থেকে চক্রের সদস্যরা পরীক্ষার্থীদের উত্তর বলে দিতেন। কিন্তু এর আগেই তাদের আটক করা হয়।

ফেইসবুকে আমরা

পুরনো সংখ্যা

ডিসেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১